প্রায় ৮০ হাজার ভোটে সিলেট–২ আসনে তাহসিনা রুশদী লুনার জয়
এ কে এম মাজেদুল আলম ইভান, মাগুরা।
মাগুরাবাসীর গর্ব ও প্রত্যাশার প্রতিফলন
সিলেট–২ (বিশ্বনাথ–ওসমানীনগর) আসনে তেত্রিশজন প্রার্থীর মধ্যে একমাত্র নারী প্রার্থী হিসেবে প্রায় ৮০ হাজার ভোটের ব্যবধানে বিজয় অর্জন করেছেন তাহসিনা রুশদী লুনা। তিনি বিএনপির ধানের শীষ প্রতীকে নির্বাচন করে এ বিজয় পান।
তিনি নিখোঁজ বিএনপি নেতা ও সাবেক সংসদ সদস্য এম ইলিয়াস আলী–এর সহধর্মিণী। ২০১২ সালে রাজধানীর বনানী এলাকা থেকে গাড়িচালকসহ নিখোঁজ হন ইলিয়াস আলী। সেই ঘটনার পর দীর্ঘ এক যুগেরও বেশি সময় ধরে রাজনৈতিক ও ব্যক্তিগত দুঃসময়ের মধ্যেও দৃঢ়তা ও সাহসিকতার সঙ্গে রাজনীতির মাঠে সক্রিয় থেকেছেন তাহসিনা রুশদী লুনা।
মাগুরার গর্ব
তাহসিনা রুশদী লুনার পারিবারিক শিকড় মাগুরা জেলার পারনান্দুয়ালী গ্রামে। সম্ভ্রান্ত মুন্সি পরিবারের সন্তান হিসেবে তাঁর এই বিজয়ে মাগুরাবাসীর মাঝে আনন্দ ও গর্বের অনুভূতি সৃষ্টি হয়েছে। জেলার অনেকেই মনে করেন, তিনি শুধু সিলেটের নয়—মাগুরারও কন্যা। তাঁর এই সাফল্য মাগুরার মানুষের আত্মমর্যাদা ও পরিচিতিকে জাতীয় পর্যায়ে আরও উজ্জ্বল করেছে।
মাগুরাবাসীর প্রত্যাশা—দীর্ঘ ত্যাগ ও সংগ্রামের প্রতীক হিসেবে তিনি সংসদে শক্ত অবস্থান গড়ে তুলবেন। রাজনৈতিক অঙ্গনে নারীর নেতৃত্বের এক অনন্য দৃষ্টান্ত হয়ে তিনি ভবিষ্যৎ প্রজন্মের জন্য অনুপ্রেরণা হবেন—এমনটাই আশা করছেন সবাই।
প্রত্যাশা ও ভবিষ্যৎ ভাবনা
জনগণের প্রত্যাশা, তিনি স্বামীর অসমাপ্ত রাজনৈতিক আদর্শ ও এলাকার উন্নয়ন পরিকল্পনাকে সামনে রেখে কাজ করবেন। একই সঙ্গে নারীর রাজনৈতিক ক্ষমতায়নের প্রতীক হিসেবে জাতীয় সংসদে কার্যকর ও দৃঢ় ভূমিকা রাখবেন।
মাগুরাবাসীর ভাষায়—“এটি শুধু একজন প্রার্থীর বিজয় নয়; এটি ত্যাগ, ধৈর্য ও বিশ্বাসের জয়।” এখন সময় সেই বিশ্বাসকে উন্নয়ন ও জনকল্যাণের কাজে রূপ নিবে।