1. admin@banglaranusandhan.com : admin :
সোমবার, ০২ নভেম্বর ২০২৬, ০৭:৫২ অপরাহ্ন
সংবাদ শিরোনাম :
৮১ বছরের ঐতিহ্যবাহী কচুন্দি সমবায় সমিতির ইতিহাসে প্রথম এজিএম অনুষ্ঠিত মাগুরায় ভুয়া সিআইডি পরিচয়ে নারী অপহরণের চেষ্টা, ৭ জন আটক কছুন্দি ইউনিয়ন বহুমুখী সমবায় সমিতির নবনির্বাচিত ব্যবস্থাপনা কমিটি ঘোষণা মহম্মদপুরে ১১০০ কৃষকের মাঝে গ্রীষ্মকালীন পেঁয়াজের প্রণোদনা বিতরণ মাগুরা মহম্মদপুর মৌশা গ্রামে জমি নিয়ে বিরোধে মারধর ও স্বর্ণালংকার ছিনিয়ে নেওয়ার অভিযোগ মাগুরায় লোডশেডিংয়ের সুযোগে একের পর এক চুরি, নিরাপত্তা নিয়ে প্রশ্ন মাগুরায় এসএসসিতে সাফল্যের শীর্ষে পুলিশ লাইনস স্কুল শতভাগ ফলাফলে কৃতী শিক্ষার্থীদের সংবর্ধনা মাগুরায় আন্তর্জাতিক আদিবাসী দিবস পালিত, বড় আয়োজনে প্রশাসনের গুরুত্বপূর্ণ কর্মকর্তাদের অনুপস্থিতি নিয়ে আক্ষেপ 🌳 The Significance of Tree Fairs in Environmental Conservation

মাগুরায় লোডশেডিংয়ের সুযোগে একের পর এক চুরি, নিরাপত্তা নিয়ে প্রশ্ন

  • প্রকাশের সময় : বৃহস্পতিবার, ১৩ আগস্ট, ২০২৬
  • ৯৮ বার পঠিত

মাগুরায় লোডশেডিংয়ের সুযোগে একের পর এক চুরি, নিরাপত্তা নিয়ে প্রশ্ন

এ কে এম মাজেদুল আলম ইভান মাগুরা।

মাগুরা শহরের বেবিপ্লাজা মার্কেটে এক রাতেই ছয়টি দোকানে শাটার ভেঙে চুরির ঘটনায় ব্যবসায়ীদের মধ্যে আতঙ্ক ছড়িয়ে পড়েছে। দোকানগুলো থেকে উল্লেখযোগ্য পরিমাণ মালামাল না নিলেও চোরের দল নগদ প্রায় ১০ থেকে ১২ লাখ টাকা হাতিয়ে নিয়েছে বলে ব্যবসায়ীদের দাবি।

এর আগের রাতেও বেবিপ্লাজার অদূরে শিমুল স্টোরে  টিনের চাল কেটে চুরির ঘটনা ঘটে। গুরুত্বপূর্ণ বিষয় হলো, শিমুল স্টোরটি পুলিশ সুপারের কার্যালয়ের প্রায় সংলগ্ন এলাকায় অবস্থিত। পরপর দুই রাতে পুলিশ প্রশাসনের গুরুত্বপূর্ণ স্থাপনার আশপাশে একাধিক চুরির ঘটনায় শহরের ব্যবসায়ী ও সাধারণ মানুষের মধ্যে নিরাপত্তা নিয়ে নতুন করে প্রশ্ন দেখা দিয়েছে।

স্থানীয়দের অভিযোগ, মাগুরা শহরে ঘন ঘন লোডশেডিংকে সুযোগ হিসেবে ব্যবহার করছে চোর ও দুষ্কৃতকারীরা। বিদ্যুৎ না থাকায় অন্ধকারের সুযোগ নিয়ে বিভিন্ন এলাকায় দোকানপাটে চুরির ঘটনা ঘটছে বলে অভিযোগ উঠেছে।

বেবিপ্লাজা থেকে প্রায় ৫০ গজের মধ্যে থানা এবং প্রায় ১০০ গজের মধ্যে পুলিশ সুপারের কার্যালয়। এমনকি পুলিশের পক্ষ থেকে রাতের নিরাপত্তা ও টহল তৎপরতা চলমান থাকার পরও এসব গুরুত্বপূর্ণ স্থাপনার আশপাশে পরপর চুরির ঘটনায় স্বাভাবিকভাবেই প্রশ্ন উঠছে—নিরাপত্তার এত কাছাকাছি থেকেও চোরেরা কীভাবে এতটা নির্বিঘ্নে অপরাধ সংঘটনের সুযোগ পাচ্ছে?

ব্যবসায়ীরা বলছেন, শুধু চুরি হওয়া অর্থ বা মালামালের ক্ষতি নয়, এ ধরনের ঘটনায় মানুষের মধ্যে নিরাপত্তাহীনতার অনুভূতি তৈরি হচ্ছে। শহরের বিভিন্ন এলাকায় দোকানপাটে চুরির প্রবণতা বেড়ে যাওয়ায় অনেক ব্যবসায়ী রাতের বেলায় দোকান বন্ধ করে বাড়ি ফেরার পরও উদ্বেগে থাকছেন।

এ অবস্থায় লোডশেডিংয়ের সময় গুরুত্বপূর্ণ বাণিজ্যিক এলাকায় বিশেষ পুলিশি টহল, সিসিটিভি ক্যামেরার কার্যকর নজরদারি এবং ঝুঁকিপূর্ণ এলাকাগুলোতে রাতের নিরাপত্তা ব্যবস্থা আরও জোরদারের দাবি জানিয়েছেন ব্যবসায়ীরা।

একদিকে শহরজুড়ে বিদ্যুৎ বিভ্রাট, অন্যদিকে সেই অন্ধকারকে কাজে লাগিয়ে চুরির ঘটনা—দুই সংকট মিলিয়ে মাগুরার ব্যবসায়ী ও সাধারণ মানুষের মধ্যে এখন একটাই প্রশ্ন, শহরের নিরাপত্তা ব্যবস্থা আসলে কতটা কার্যকর?

Facebook Comments Box

Please Share This Post in Your Social Media

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

এই ক্যাটাগরির আরও খবর
© স্বত্ব সংরক্ষিত © বাংলার অনুসন্ধান ২০২৬